Showing posts with label Taza bangla News. Show all posts
Showing posts with label Taza bangla News. Show all posts

Friday, June 1, 2018

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে অজুহাত খুঁজছেন বিএনপি নেতারা - কাদের

আগামী জাতীয় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য বিভিন্ন অজুহাত খুঁজছেন বিএনপি নেতারা। এজন্য তারা মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানসহ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে উল্টাপাল্টা কথা বলছেন বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।শুক্রবার সকালে রাজধানীর মাতুয়াইলে ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে ঝটিকা অভিযানে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন দাবি করেন সেতুমন্ত্রী।
তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনে জিতবে না, এই আশঙ্কায় তারা নিজেরাই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে বিভিন্ন অজুহাত তৈরি করছেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আসন্ন ঈদে মহাসড়কে যানজটের কারণ, ফিটনেসবিহীন ও লক্কর-ঝক্কর গাড়ি। এ ব্যাপারে বিআরটিএ ও পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
জনদুর্ভোগ এড়াতে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধ রাখারও অনুরোধ জানান তিনি।
একসময়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী জোসেফকে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা ও বিদেশে চলে যাওয়া সম্পর্কে আরও খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত বলতে পারবেন বলেও জানান সেতুমন্ত্রী।
তবে বিএনপি নেতাদের মুখে এ বিষয়ে কোনো কথা মানায় না বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।
সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, যেই দল ৭ ধারার মতো একটা বিষয়কে গঠনতন্ত্র থেকে বাদ দিয়ে আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ, দণ্ডিত দল; কানাডার ফেডারেল আদালতে যারা বিশ্ব স্বীকৃত সন্ত্রাসী দল, সেই দলের এ নিয়ে কোনো অধিকার নেই।

সূত্রঃ https://www.jugantor.com

দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, রুখে দাঁড়ানোর ঘোষণা ফখরুলের

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বেআইনিভাবে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে দাবি করে রুখে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আমাদের আর হারানোর কিছু নেই। আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। বক্তৃতার সময় শেষ- এখন সময় এসেছে প্রতিরোধ গড়ে তোলার।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে ভাসানী ভবনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিয়ে রচিত 'রণধ্বনি' গানের সিডির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, এখন সময় শেষ- আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। দেশনেত্রীকে যেভাবে আটক রাখা হয়েছে, তা একেবারেই বেআইনি। হাইকোর্ট বেইল (জামিন) দিয়েছেন। এর পরও নানা কৌশলে মাসের পর মাস খালেদা জিয়াকে আটক রেখেছে। উচ্চতর আদালত ছুটির কথা বলে প্রলম্বিত করছে।
এসব কথা বলার পর কিছুটা সময় চুপ থেকে মির্জা ফখরুল বলেন, এসব বললে আদালত অবমাননা হয় কিনা; হলেও কিছু যায়-আসে না- এখন তো আর আমাদের হারানোর কিছু নেই।
তিনি বলেন, ‘আমরা বহুবার আলোচনা করার জন্য সরকারকে আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু সরকার আমাদের ডাকে সাড়া দেয়নি। তারা বলে সংবিধান অনুযায়ী সব করবে। যে সংবিধান তারা কেটেকুটে নিজেদের মতো করে নিয়েছে।
অনুষ্ঠানে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমাদের দেশ রক্ষায় নামতে হবে। খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীক। গায়ের জোরে তাকে আটক রাখার মানে হল- গণতন্ত্র পুরোপুরি ধ্বংস করা। মানুষের অধিকার ও মানুষের ভোটাধিকার নষ্ট করে এক ব্যক্তির শাসন নিশ্চিত করা। এ সরকার জোর করে ক্ষমতা দখল করে স্বাধীনতার চেতনা হত্যা করেছে। সময়টা এতই খারাপ, আজকাল বাসায়ও জড়ো হয়ে কথা বলতে পারে না মানুষ। আমরা পাকিস্তানের আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, এরশাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি। কিন্তু তখন আজকের মতো এত ভয়াবহ সময় ছিল না।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কঠোর সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, অত্যাচার-নির্যাতনের দিক থেকে এ সরকার অতীতের সব স্বৈরশাসককে হার মানিয়েছে। আজকে আওয়ামী লীগের মতো দল এভাবে শাসন করছে। অথচ আওয়ামী লীগ একটি পুরনো দল। তারা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে একসময়। কিন্তু আজ তারাই গণতন্ত্র ধ্বংস করে একদলীয় নয় শুধু, এক ব্যক্তির শাসন শুরু করেছে।
তিনি বলেন, আমাদের মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে। এ দানবকে প্রতিহত করে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। একটি অর্থবহ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

মাশরাফি-সাকিবের নির্বাচন করা না-করা

হয়তো ব্যাপারটা এ রকম—যার বিয়ে তার খবর নাই, পাড়াপড়শির ঘুম নাই। আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিয়ে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ব্যস্ত। মোস্তাফিজ আহত, অধিনায়ককে ভাবতে হচ্ছে একাদশ নিয়ে। মাশরাফিও নিশ্চয়ই নিজের জগতে নিজের কাজ নিয়ে ব্যাপৃত। কিন্তু আমাদের চায়ের কাপে ঝড় উঠেছে। ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা ও সাকিব আল হাসান নির্বাচন করতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, তাঁরা যদি নির্বাচনে আসেন, তাহলে তাঁদের ভোট দেবেন।

গত মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে তিনি এ আহ্বান জানান। পরে বিকেলে তিনি বলেন, এটা তিনি দলের পক্ষ থেকে বলেননি, এমনকি সাকিব-মাশরাফি নিজেরা আদৌ নির্বাচন করবেন কি না, এটা নিয়ে কোনো কথা তাঁর সঙ্গে হয়নি।

৩০ মে সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হয় স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে। প্রথম আলো অনলাইনের খবর: প্রধানমন্ত্রীকে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, তারকারা রাজনীতিতে এলে তৃণমূলের রাজনীতিবিদদের নির্বাচনে আসাটা বাধাগ্রস্ত হবে কি না। প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকের সেই শঙ্কা উড়িয়েই দেন, ‘পৃথিবীর সব দেশেই তারকারা মনোনয়ন পেয়ে থাকেন। এটা নতুন কিছু নয়। এখন কারও যদি আকাঙ্ক্ষা থাকে নিশ্চয়ই...তাঁরা আমাদের দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন, খেলাটাকে ভালো অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। পৃথিবীর সব দেশেই এটা দেখা যায়। তার মানে এই নয় যে তৃণমূলের নেতারা মনোনয়ন পান না। আমরা সবাই তৃণমূল থেকে এসেছি। স্কুলজীবন থেকে রাজনীতি করে উঠে এসেছি। আমরা সেলিব্রেটি হয়ে আসিনি। কাজেই আমরা তো আছিই।’
আমার ফেসবুকে আমি এই প্রশ্নটা করেছিলাম: সাকিব আর মাশরাফির নির্বাচন করার খবর হাওয়ায় ভাসছে। আপনার মত কী?
১২ ঘণ্টায় আমি মন্তব্য পেয়েছি ৭১০ জনের। কৌতূহলের বিষয়, মন্তব্যকারীরা একেকজন একেক রকম মত দিয়েছেন। কেউ বলেছেন, ভালো। দেশপ্রেমিক দুর্নীতিমুক্ত নেতা তো আমাদের দরকার। কেউ বলেছেন, তাঁরা রাজনীতি করতে পারেন, তবে এখন নয় আরও পাঁচ বা দশ বছর পরে। কেউ বলেছেন, খেলা থেকে অবসর নেওয়ার পর তাঁরা রাজনীতি করতেই পারেন। কেউ বলেছেন, এটা হবে তাঁদের জন্য সবচেয়ে বড় ভুল। অনেকেই বলছেন, না। না। না। আলোচনা জমে উঠেছে।
আমার মনে হয়, সাকিব আর মাশরাফির রাজনীতি বা নির্বাচন নিয়ে এখনই ভাবা উচিত কি না, এই প্রশ্নের জবাব সবচেয়ে ভালো দিয়েছেন মাশরাফি নিজেই। দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বই মাশরাফিতে আমরা পড়েছি, মাশরাফি বলেন:
‘আমি বলি, এই যারা ক্রিকেটে দেশপ্রেম দেশপ্রেম বলে চিৎকার করে, এরা সবাই যদি এক দিন রাস্তায় কলার খোসা ফেলা বন্ধ করত, একটা দিন রাস্তায় থুতু না ফেলত বা একটা দিন ট্রাফিক আইন মানত, দেশ বদলে যেত। এই এনার্জি ক্রিকেটের পেছনে ব্যয় না করে নিজের কাজটা যদি সততার সঙ্গে একটা দিনও সবাই মানে, সেটাই হয় দেশপ্রেম দেখানো।’
এই কথাটা সক্রেটিসেরও কথা। প্লেটোর সঙ্গে সংলাপে অনেকটা এই রকমটাই বলেছেন সক্রেটিস: সর্বোচ্চ দেশপ্রেম হলো সবচেয়ে সুন্দরভাবে নিজের কাজটুকু করা।
এখন সাকিব আল হাসানের কিংবা মাশরাফি বিন মুর্তজার ক্রিকেট খেলার সময়। এখন তাঁদের দেশকে দিয়ে যেতে হবে, আর দেওয়াটা হবে ক্রিকেটের মধ্য দিয়েই। এ ক্ষেত্রে তাঁদের মনঃসংযোগে যেন সামান্য চিড়ও ধরতে না পারে। কোনো কাজ সবচেয়ে বেশি একাগ্রতা দিয়ে, সবচেয়ে বেশি সাধনা দিয়ে, সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা দিয়ে করার নামই আসলে প্রতিভা।
কোনো কবি যদি বুঝে ফেলেন যে তাঁর একটা ছন্দপতনে পৃথিবীর কারও কিছু যায়-আসে না, তিনি লিখতে পারবেন না। তাঁকে বিশ্বাস করতে হবে যে এই একটা লাইন নির্ভুল ছন্দে সর্বোৎকৃষ্টভাবে লেখার ওপরে নির্ভর করছে মানবসভ্যতার ভবিষ্যৎ, এর কাছে সব তুচ্ছ, অর্থবিত্ত, ক্ষমতা, জগৎ-সংসার। এই রকম মনঃসংযোগ ঘটাতে পারেন বলেই তিনি লিখতে পারেন।
যেকোনো বিষয়েই এটা সত্য। একজন ব্যাটসম্যান যখন ব্যাট হাতে দাঁড়ান, তাঁর সমস্ত চৈতন্য, সমস্ত অস্তিত্বজুড়ে থাকে শুধু বোলারের হাতের বলটা, একটুখানি মনোযোগের অভাব মানেই ব্যর্থতা।
মাশরাফি বিন মুর্তজার কাছে আমরা আরও কিছুদিন ক্রিকেটটাই চাই। সাকিব আল হাসানের কাছেও তাই চাই। এখন তাঁদের মনঃসংযোগে ব্যাঘাত ঘটুক, তা আমরা কিছুতেই চাইব না। তারপর যখন তাঁরা ক্রিকেট ছাড়বেন, তাঁরা রাজনীতি করতে চাইলে রাজনীতি করবেন। রাজনীতি মানে তো রাজার নীতি নয়, রাজনীতি মানে হলো নীতির রাজা। তাঁরা যদি নির্বাচন করতে চান, অবসর নেওয়ার পরে করবেন।
আমাদের সমাজে অনেকেই পেশাজীবীদের, শিল্পী-সাহিত্যিকদের সচ্ছলতাকে ভালো চোখে দেখতে চান না। যেন শিল্পী মানেই দুস্থ শিল্পী। ভ্যান গঘের মতো, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো না খেয়ে না থাকলে শিল্পী কিসের। কিন্তু কোনো একজন পেশাজীবী বা শিল্পী যদি নিজের কাজটার মাধ্যমেই স্বীকৃতি, সম্মান এবং সচ্ছলতা অর্জন করতে পারেন, তার চেয়ে ভালো আর কিছুই হতে পারে না।
তবে রাজনীতি মানে সব সময় দলীয় আনুগত্যকেই যেন না বুঝি। আমাদের রাজনীতিসচেতন হতে হবে। শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, খেলোয়াড়েরা দেশের ডাকে সাড়া দেবেন, আত্মোৎসর্গ করবেন, এটাও আমরা চাইব। আমাদের ক্রিকেটাররাও তা করেছেন। আমরা শহীদ ক্রিকেটার জুয়েলের কথা জানি, মুশতাকের কথা জানি। শহীদ ক্রিকেটার আবদুল হালিম চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন, বীর বিক্রম খেতাব পান। আমাদের শিল্পী-সাহিত্যকদের ভূমিকা এই দেশের জন্ম-ইতিহাসে গৌরবের সঙ্গে লেখা রয়েছে।
তবে আজকাল রাজনীতি সচেতনতার জায়গা করে নিচ্ছে দলীয় আনুগত্য, কখনো কখনো দলাদলি। পেশাজীবী, শিল্পী-সাহিত্যিকেরা রাজনীতির ক্যাডারদের মতো আচরণ করেন—কখনো কখনো, কেউ কেউ। সেটা শোভন বলে মনে হয় না এবং এটা ক্ষতিকরও। নগদ প্রাপ্তির আশায় দলবাজির ইঁদুর দৌড়ে যদি একজন পেশাজীবী কিংবা বুদ্ধিজীবীকে শামিল হতে দেখি, তখন দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা জাগে।
বুদ্ধিজীবীর একটা প্রধান কাজ হলো স্বাধীন মত প্রকাশ করা এবং অনেক সময় সবাই যেটাকে ভালো বলছে, নিজের বিবেক যদি তা বেঠিক বলে মনে করে, সেই ভিন্নমতটা তুলে ধরা। গড্ডলপ্রবাহে ভেসে যাওয়া বুদ্ধিজীবীর কাজ নয়। জানি, বিদ্রোহ, কিংবা ভিন্নমত প্রকাশ করা বিপজ্জনক। কিন্তু তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া কি ইত্তেফাক-এ স্বাধীনভাবে লিখতে গিয়ে কারাগারে যাননি? গেছেন এবং তারপরেও মাথা নত করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। সহস্রাধিক বুদ্ধিজীবী-পেশাজীবী শহীদ হয়েছেন একাত্তর সালে।
মাশরাফি বিন মুর্তজা কিংবা সাকিব আল হাসান কিংবা অন্য কোনো খেলোয়াড় কিংবা অন্য অঙ্গনের সফল জনপ্রিয় তারকারা রাজনীতিতে এলে ভালোই হবে। কারণ, আমাদের নেতৃত্বে তারুণ্য দরকার।
কিন্তু তারও আগে যার যা কাজ, তাকে সেই কাজটা ঠিকমতো করতে হবে। শিক্ষক ক্লাস নেবেন, পরীক্ষা নেবেন, গবেষণা করবেন, ডাক্তার চিকিৎসা দেবেন, গবেষণা করবেন, মানবতার সেবা করবেন। সবাই যদি নিজের কাজ করেন, দেশ এগিয়ে যাবে। সবাই যদি নিজের কাজ ফেলে দেশোদ্ধার করতে যান, রাজার পুকুরে তখন দুধের বদলে শুধু পানিই থাকবে।